কোর্সটি সম্পর্কে জানুন
ইসলামি শরিয়তের আইন বা ফিকহ্ কীভাবে উৎসারিত হয়?
কুরআন ও সুন্নাহর একেকটি শব্দ বা বাক্য থেকে কীভাবে চূড়ান্ত বিধান বা ফতোয়া বের করা হয়?
এই গভীর ও যৌক্তিক জ্ঞানটিই হলো ‘উসূলে ফিকহ’ বা ইসলামি আইনের মূলনীতি। আর এই বিজ্ঞানসম্মত শাস্ত্রটিতে প্রবেশের সবচেয়ে জনপ্রিয়, নির্ভরযোগ্য এবং বুনিয়াদি প্রবেশদ্বার হলো ইমাম শাশী (রহ.) সংকলিত বিখ্যাত গ্রন্থ ‘উসূলুশ শাশী’।
কুরআন ও হাদিসের একেকটি আয়াত বা বর্ণনার পেছনে লুকিয়ে থাকে নির্দিষ্ট আইনি ইঙ্গিত। সাধারণ পাঠে যা ধরা পড়ে না, উসূলে ফিকহের মূলনীতিগুলো জানা থাকলে তা সুস্পষ্ট হয়ে ওঠে। এই কোর্সে আমরা উসূলুশ শাশী বইটির মূল বিষয়বস্তু অত্যন্ত সহজ, সাবলীল এবং সমসাময়িক উদাহরণের মাধ্যমে আপনার সামনে তুলে ধরব।
● কুরআন ও হাদিসের জ্ঞান অন্বেষণকারী: যারা পবিত্র কুরআন ও হাদিসের বিধানগুলোর অন্তর্নিহিত আইনি কাঠামো বুঝতে চান।
● কওমি ও আলিয়া মাদরাসার শিক্ষার্থী: যারা দরসের কিতাবটি আরও সহজ ও প্র্যাক্টিক্যাল উপায়ে আয়ত্ত করতে চান।
● ইসলামি আইন ও ফিকহ্ বিষয়ে আগ্রহী: ইসলামি আইন, ফতোয়া এবং ফিকহ্ শাস্ত্রের প্রতি যাদের গভীর কৌতূহল ও আগ্রহ রয়েছে।
● সাধারণ শিক্ষিত মুসলিম: যারা ইসলামি আইন প্রণয়নের যৌক্তিক ও নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়া সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পেতে চান।
১. কিতাবুল্লাহ বা কুরআনের শব্দের প্রকারভেদ: খাস, আম, মুশতারাক ও মুআউওয়াল।
২. আদেশ ও নিষেধাজ্ঞা: আদেশের রূপরেখা (আমর) এবং নিষেধাজ্ঞা (নাহি)-এর প্রভাব।
৩. শব্দের অর্থগত গভীরতা: হাকিকত, মাজাজ, সরীহ ও কিনায়া।
৪. সুন্নাহ বা হাদিসের প্রামাণিকতা: সুন্নাহ বা হাদিসের প্রামাণিকতা এবং রাবি বা বর্ণনাকারীদের শ্রেণীবিভাগ।
৫. ইজমা ও কিয়াস: ইজমা (ঐকমত্য) এবং কিয়াস (যৌক্তিক অনুমান)-এর নিয়ম ও শর্তাবলি।
বইটি মূলত প্রাচীন তাত্ত্বিক ভাষায় লেখা হওয়ায় অনেক সময় সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্য তা অনুধাবন করা কঠিন হয়ে পড়ে। আমাদের এই কোর্সের মূল লক্ষ্যই হলো—শতাব্দী প্রাচীন এই জটিল মূলনীতিগুলোকে আধুনিক পদ্ধতিতে অত্যন্ত প্রাঞ্জল ভাষায় এবং বাস্তব জীবনের নানা উদাহরণ দিয়ে বুঝিয়ে দেওয়া। কোর্সটি সম্পন্ন করার পর, কুরআন-হাদিস পড়ার সময় আপনার চিন্তার জগৎ এবং অনুধাবনের গভীরতা সম্পূর্ণ বদলে যাবে ইনশাআল্লাহ।